ছেলেদের মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির উপায় ক্রিম - কাজ ১০০% হবেই
ছেলেদের মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির উপায় ক্রিম কোনগুলো আপনার জানা আছে
তো? ভুল ক্রিম নির্বাচন করলে আপনার ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হতে
পারে। সেজন্য রিসার্চ এবং গবেষণার মাধ্যমে আপনাদের সামনে সেরা ক্রিম এর
তালিকা নিয়ে হাজির হয়েছি।
এছাড়া আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনারা জানতে পারবেন ছেলেদের ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম এবং ফর্সা হওয়ার নাইট ক্রিম ইত্যাদি সহ আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকছে। বিস্তারিত জানতে আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
এছাড়া আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনারা জানতে পারবেন ছেলেদের ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম এবং ফর্সা হওয়ার নাইট ক্রিম ইত্যাদি সহ আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকছে। বিস্তারিত জানতে আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
পোস্ট সূচিপত্রঃ ছেলেদের মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির উপায় ক্রিম
- ছেলেদের মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির উপায় ক্রিম
- ছেলেদের ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম
- ছেলেদের মুখের জন্য কোন ক্রিম ভালো হবে
- ছেলেদের নাইট ক্রিম কোনটা ভালো
- ছেলেদের ফর্সা হওয়ার নাইট ক্রিম
- ব্যক্তিগত মতামতঃ ছেলেদের মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির উপায় ক্রিম
ছেলেদের মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির উপায় ক্রিম
নারীদের পাশাপাশি বর্তমানে পুরুষদের মধ্যেও অনেকেই ত্বকের যত্ন নেওয়া শুরু
করেছে।বর্তমানে এখন মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য বাজারে আপনি বিভিন্ন
ধরনের ক্রিম পেয়ে যাবেন। অনেক সময় পরিবেশ দূষণ, রোধের তীব্রতা এবং
স্ট্রেস ও অনিয়মিত জীবন যাপনের কারণে পুরুষদের মুখের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত
হয়ে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য যে সমস্ত
ক্রিম পাওয়া যায় সেগুলো সাধারণত বিশেষ উপাদান দিয়ে তৈরি হয়ে থাকে যা
আপনার ত্বকের মেলানিন উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে এবং মৃত স্কিন কোষগুলো দূর
করে। চলুন, ছেলেদের মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির উপায় ক্রিম দেখে নেওয়া
যাক।
হাইড্রোকুইনোনঃ আপনি যদি এটি ব্যবহার করেন তাহলে ত্বক উজ্জ্বল করার
রাসায়নিক যা আপনার ত্বকে মেলানিন উৎপাদন কমানোর মাধ্যমে কাজ করে
থাকে। মেলানিন বলতে একটি পিগমেন্ট যা আপনার ত্বক ও চুলের রং
দেয়। আপনি হাইড্রোকুইনোন ব্যবহার করলে আপনার
ত্বকে মেলানোসাইট মানে হচ্ছে ত্বকের রং উৎপাদনকারী কোষ এর সংখ্যা
কমে যাবে। ফলে আপনার ত্বক আরো উজ্জ্বল দেখাবে।
ভিটামিন সিঃ ভিটামিন সি একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আপনার ত্বকের
উজ্জ্বলতা বাড়ানোর পাশাপাশি সামগ্রিক টোন উন্নত করতে সাহায্য
করে। সময় যত অতিবাহিত হবে এটি আপনার হাইপারপিগমেন্টেশনের (মানে
হল ত্বকের এমন একটি অবস্থা যেখানে আপনার ত্বকে অতিরিক্ত মেলানিন উৎপন্ন হয়
যার ফলে বিভিন্ন ধরনের দাগ সব ছোপ যায়) জায়গাগুলিকে হালকা করতে
সাহায্য করতে পারে।
ইউরিয়া Urea: যে সমস্ত স্কিন কেয়ার পণ্যগুলি রয়েছে সেখানে সিন্থেটিক
ইউরিয়া এক্সফোলিয়েটর হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এটি আপনার ত্বকে
অবস্থিত মৃত কোষগুলিকে দূর করতে এবং ত্বকের পৃষ্ঠের গঠন অথবা মান যেমন
মসৃণতা, আদ্রতা এবং সজলতার প্রতিফলন ঘটায় এবং আপনার মুখকে উজ্জ্বল দেখাতে
সাহায্য করে।
নিয়াসিনামাইডঃ এটি সাধারণত ভিটামিন বি ৩ নামে পরিচিত। এই উপাদান আপনার ত্বকের কালো অংশগুলিকে ত্বকের উপরিভাগে উঠে আসা থেকে প্রতিরোধ করতে পারে।
গ্লাইকোলিক অ্যাসিডঃ এটি আপনার ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষগুলো দূর করতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা স্বদেশ করতে সাহায্য করে।
নিয়াসিনামাইডঃ এটি সাধারণত ভিটামিন বি ৩ নামে পরিচিত। এই উপাদান আপনার ত্বকের কালো অংশগুলিকে ত্বকের উপরিভাগে উঠে আসা থেকে প্রতিরোধ করতে পারে।
গ্লাইকোলিক অ্যাসিডঃ এটি আপনার ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষগুলো দূর করতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা স্বদেশ করতে সাহায্য করে।
ব্যবহারের সময় আপনাকে যে বিষয়ে মনে রাখতে হবে
সূর্যের আলোর সংস্পর্শে হাইড্রোকুইনোন এর প্রভাব উল্টো হতে পারে, তাই আপনি সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন। এর ফলাফলের জন্য কমপক্ষে ৪ সপ্তাহ ধরে নিয়মিত ব্যবহার করুন। কারণ এ সময় তো আপনি নিজেকে পুনরুদ্ধার করে।ছেলেদের ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম
বর্তমানে ছেলেরা ত্বকের রং উজ্জ্বল করতে আগ্রহী। এজন্য কিছু মেডিকেল ক্রিম
রয়েছে যা চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত। সাধারণত এই সমস্ত
ডাক্তারি ক্রিমে থাকে বিশেষ উপাদান যা কসমেটিক ক্রিমে থাকে না। এগুলো
ব্যবহার করলে আপনার ত্বকের অতিরিক্ত পিগমেন্টেশন (মানে হচ্ছে ত্বকের রঙের
তারতম্য বোঝানো হয়) কমানোর পাশাপাশি মুখের কালো দাগ হালকা হয় এবং ত্বকের
রং একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় উজ্জ্বল হতে পারে। তবে এসব ক্রিম ব্যবহারের
আগে আপনাকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ আপনি যদি এগুলো
অনিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবহার করেন তাহলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। আসুন,
ছেলেদের ফর্সা হওয়ার কিছু ডাক্তারি ক্রিম দেখে নেওয়া যাক।
অ্যাজেলাইক অ্যাসিডঃ এটি সাধারণত একটি ডাক্তারি ক্রিমের উপাদান যা হাইপারপিগমেন্টেশন (ত্বকের অতিরিক্ত গা dark দাগ) কমাতে এবং আপনার ত্বকের লাল ভাব চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত টাইরোসিনেজ এনজাইম ব্লক করে যা আপনার ত্বকে অবস্থিত মেলানিন উৎপাদনে অংশ নেয়।
তৈলাক্ত ত্বকের জন্যঃ যাদের ত্বক তৈলাক্ত তাদের কপাল অথবা নাক ইত্যাদি জায়গায় অতিরিক্ত তেল দেখা যায়। এজন্য আপনি ফোমিং বা জেল-ভিত্তিক ক্লিনজার যেমন সেটাফিল অয়েলি স্কিন ক্লিনজার ব্যবহার করুন। এছাড়া হালকা নন-কমেডোজেনিক (মানে হচ্ছে আপনার ত্বকের ছিদ্র বন্ধ করবে না এবং ব্রণ সৃষ্টি করবে না) ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
শুষ্ক ত্বকের জন্যঃ আপনার ত্বক যদি শুষ্ক হয় তাহলে ঘন এবং বেশি আদ্রতা পণ্য হাইয়ালুরোনিক অ্যাসিড অথবা গ্লিসারিনযুক্ত ক্রিম বেছে নিন। ক্রিম যেমনঃ সেটাফিল ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম (অত্যন্ত মৃদু এবং শুষ্ক ত্বকের জন্য আর্দ্রতা প্রদানকারী ক্রিম) এবং কিয়েলস আল্ট্রা ফেসিয়াল ক্রিম (গভীরভাবে ত্বকে আর্দ্রতা এবং দীর্ঘস্থায়ী মসৃণতা প্রদানকারী ক্রিম) সুপারিশ করা হয়ে থাকে।
সংবেদনশীল ত্বকের জন্যঃ অ্যালকোহল, সুগন্ধি অথবা রঞ্জক বা parabens বিহীন পণ্য বেছে নিন।সেরামাইড যুক্ত ক্রিম আপনি ব্যবহার করুন এটি আপনার ত্বকের বাধা মজবুত করে।
প্রেসক্রিপশন হাইড্রোকুইনোন ক্রিম
হাইড্রোকুইনোন যুক্ত পণ্যগুলো আপনি ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে পেতে পারেন। এই ক্রিমগুলো সাধারণত হাইপারপিগমেন্টেশন (ত্বকের অতিরিক্ত গা dark দাগ) সমস্যায় আক্রান্ত, যেমন মেলাসমা (হরমোনাল কারণে ত্বকে গা dark দাগ), ফ্রেকলস (সূর্যের প্রভাবে ত্বকে ছোট গা dark ছোপ), বা লেন্টিগিনেস (বয়স বা সূর্যের রশ্মিতে ত্বকে বড় গা dark দাগ), ইত্যাদি লোকদের জন্য সুপারিশ করা হয়।এটি সাধারণত কিভাবে কাজ করে
- হাইড্রোকুইনোন আপনার ত্বকে মেলানিন উৎপাদন কমিয়ে দেয়।
- ত্বকের মেলানোসাইট কোষের সংখ্যা কমিয়ে দেয়।
- প্রায় ৪ সপ্তাহের মধ্যে আপনার ত্বক আরো হালকা দেখা যায়।
অ্যাজেলাইক অ্যাসিডঃ এটি সাধারণত একটি ডাক্তারি ক্রিমের উপাদান যা হাইপারপিগমেন্টেশন (ত্বকের অতিরিক্ত গা dark দাগ) কমাতে এবং আপনার ত্বকের লাল ভাব চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত টাইরোসিনেজ এনজাইম ব্লক করে যা আপনার ত্বকে অবস্থিত মেলানিন উৎপাদনে অংশ নেয়।
এমন অবস্থায় আপনি কি করবেন এবং কোনটি বর্জন করা উচিত
- আপনি যখন এই ধরনের ক্রিম ব্যবহার করবেন তখন সূর্যের আলো থেকে সতর্কতা অবলম্বন করুন এবং সানস্ক্রিম ব্যবহার করুন।
- দীর্ঘ মেয়াদী ব্যবহার থেকে আপনাকে বিরত থাকতে হবে কারণ এটি ত্বকের নিলাভ কালো বর্ণের পরিবর্তন সৃষ্টি করতে পারে।
- হাইড্রোকুইনোন সাধারণত আপনাকে সীমিত সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত। এর সময়কাল ৩-৬ মাস।
- আপনার ত্বকে যদি জ্বালা, লাল ভাব অথবা অস্বস্তি দেখা দেয় তাহলে আপনি ব্যবহার বন্ধ করে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ছেলেদের মুখের জন্য কোন ক্রিম ভালো হবে
আপনার একটি বিষয় মনে রাখা উচিত পুরুষদের ত্বক মহিলাদের থেকে আলাদা হয়। পুরুষদের ত্বক সাধারণত বেশি মোটা, তৈলাক্ত এবং বেশি ঘাম বের হয়। তাই পুরুষদের মুখের জন্য বিশেষ ধরনের ক্রিম প্রয়োজন যা আপনার ত্বকের চাহিদা গুলো পূরণ করতে পারবে। আপনি যদি সঠিক ক্রিম ব্যবহার করেন তাহলে আপনার তো স্বাস্থ্যকর এবং সতেজ থাকবে। আপনার বয়স বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে ত্বকের যত্ন নেওয়া উচিত। এই ক্রিমগুলো আপনার ত্বকের বয়সের ছাপ কমানোর পাশাপাশি ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। চলুন, বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।তৈলাক্ত ত্বকের জন্যঃ যাদের ত্বক তৈলাক্ত তাদের কপাল অথবা নাক ইত্যাদি জায়গায় অতিরিক্ত তেল দেখা যায়। এজন্য আপনি ফোমিং বা জেল-ভিত্তিক ক্লিনজার যেমন সেটাফিল অয়েলি স্কিন ক্লিনজার ব্যবহার করুন। এছাড়া হালকা নন-কমেডোজেনিক (মানে হচ্ছে আপনার ত্বকের ছিদ্র বন্ধ করবে না এবং ব্রণ সৃষ্টি করবে না) ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
শুষ্ক ত্বকের জন্যঃ আপনার ত্বক যদি শুষ্ক হয় তাহলে ঘন এবং বেশি আদ্রতা পণ্য হাইয়ালুরোনিক অ্যাসিড অথবা গ্লিসারিনযুক্ত ক্রিম বেছে নিন। ক্রিম যেমনঃ সেটাফিল ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম (অত্যন্ত মৃদু এবং শুষ্ক ত্বকের জন্য আর্দ্রতা প্রদানকারী ক্রিম) এবং কিয়েলস আল্ট্রা ফেসিয়াল ক্রিম (গভীরভাবে ত্বকে আর্দ্রতা এবং দীর্ঘস্থায়ী মসৃণতা প্রদানকারী ক্রিম) সুপারিশ করা হয়ে থাকে।
সংবেদনশীল ত্বকের জন্যঃ অ্যালকোহল, সুগন্ধি অথবা রঞ্জক বা parabens বিহীন পণ্য বেছে নিন।সেরামাইড যুক্ত ক্রিম আপনি ব্যবহার করুন এটি আপনার ত্বকের বাধা মজবুত করে।
বিশেষজ্ঞদের কিছু পরামর্শ
আপনি একজন পুরুষ হিসেবে আপনার ত্বকের যত্ন রুটিন যতটা সম্ভব সহজ রাখা উচিত যা ডা. জ্যারড পল ফ্রাঙ্ক, ম্যানহাটন-ভিত্তিক ডার্মাটোলজিস্ট বলেন। বর্তমান মেট্রোসেক্সুয়াল পুরুষরা (মানে হচ্ছে পুরুষদের মধ্যে তাদের সৌন্দর্য এবং পরিচর্যা নিয়ে উচ্চ মনোযোগের প্রবণতাকে বোঝায়) বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন যে ত্বকের উজ্জ্বলতা সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা চাবিকাঠি যা আসলে একটি ভুল ধারণা।ব্যবহারের নিয়ম দেখে নিন
- আপনি প্রতিদিন সকালে এবং সন্ধ্যায় ত্বক পরিষ্কার করুন।
- নরম অথবা লুকোসম ওয়াটার ( এটি এক ধরনের বিশেষ প্রাণী যার সাধারণত বিভিন্ন ধরনের হেলোথেরাপি অথবা প্রাকৃতিক চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় ) দিয়ে আপনার মূর্খ ধুয়ে নিন।
- ক্রিম ব্যবহারের আগে আপনি টোনার (মানে হচ্ছে ত্বক পরিচর্যা পণ্য যা আপনার মুখ ধোয়ার পর ত্বককে পুনরুজ্জীবিত এবং সতেজ করতে ব্যবহার করা হয় ) ব্যবহার করুন।
- ক্রিম আলতোভাবে আপনার মুখে মাসাজ করে লাগান।
- দিনের বেলায় আপনি সানস্ক্রিম ব্যবহার করুন।
ছেলেদের নাইট ক্রিম কোনটা ভালো
আপনি যখন রাতে ঘুমান তখন আপনার ত্বকের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া। এ সময়
আপনার ত্বকের কোষ গুলো দ্রুত নবায়ন হওয়ার পাশাপাশি সারা দিনের ক্ষতিগ্রস্ত
কোষ গুলো মেরামত হয়। আপনি যদি নাইট ক্রিম ব্যবহার করেন তাহলে এই
প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে সম্পন্ন হয়। একজন পুরুষ
হিসেবে আপনাকে নাইট ক্রিম ব্যবহারে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে কারণ আপনার ত্বক
সাধারণত বেশি বাইরের পরিবেশের সংস্পর্শে থাকে এবং রাত হলে ত্বক থেকে
আদ্রতা হারিয়ে যায়। নাইট ক্রিম ব্যবহার করলে আপনার ত্বক তাজা,
উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্যকর দেখাবে।
রেটিনল যুক্ত নাইট ক্রিমঃ পিলগ্রিম রেটিনল নাইট ক্রিম (ভিটামিন সি এবং হাইয়ালুরোনিক অ্যাসিড সহ) ডট অ্যান্ড কী রেটিনল + সেরামাইড স্লিপ ট্রিটমেন্ট অ্যান্টি-এজিং নাইট ক্রিম।
হাইড্রেটিং নাইট ক্রিমঃ সেটাফিল ব্রাইটেনিং নাইট প্রোটেকশন ক্রিম (নিয়াসিনামাইড যুক্ত) সেটাফিল অপটিমাল হাইড্রেশন রিপ্লেনিশিং নাইট ক্রিম (হাইয়ালুরোনিক অ্যাসিড যুক্ত)
প্রাকৃতিক উপাদান সমৃদ্ধ নাইট ক্রিমঃ প্লাম গ্রিন টি নাইট জেল ক্রিম (গ্লাইকোলিক অ্যাসিড যুক্ত) আর্সা মেজর গোল্ডেন আওয়ার রিকভারি ক্রিম।
রেটিনল যুক্ত নাইট ক্রিমঃ পিলগ্রিম রেটিনল নাইট ক্রিম (ভিটামিন সি এবং হাইয়ালুরোনিক অ্যাসিড সহ) ডট অ্যান্ড কী রেটিনল + সেরামাইড স্লিপ ট্রিটমেন্ট অ্যান্টি-এজিং নাইট ক্রিম।
হাইড্রেটিং নাইট ক্রিমঃ সেটাফিল ব্রাইটেনিং নাইট প্রোটেকশন ক্রিম (নিয়াসিনামাইড যুক্ত) সেটাফিল অপটিমাল হাইড্রেশন রিপ্লেনিশিং নাইট ক্রিম (হাইয়ালুরোনিক অ্যাসিড যুক্ত)
প্রাকৃতিক উপাদান সমৃদ্ধ নাইট ক্রিমঃ প্লাম গ্রিন টি নাইট জেল ক্রিম (গ্লাইকোলিক অ্যাসিড যুক্ত) আর্সা মেজর গোল্ডেন আওয়ার রিকভারি ক্রিম।
নাইট ক্রিমের উপকারিতা
- রেটিনল যা আপনার বয়সের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করে।
- আপনার ত্বকের যাবতীয় সমস্যা উন্নত করে।
- ফাইন লাইন ও রিঙ্কল (wrinkle) কমাতে সাহায্য করে।
- আপনার ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
- ত্বক প্লাম্প এবং হাইড্রেট রাখে।
- আপনার ত্বকের ব্যারিয়ার শক্তিশালী করে।
- আপনার ত্বক থেকে আদ্রতা হারানো রোধ করে।
- আপনার ত্বকের ক্লোজেন উৎপাদন উদ্দীপিত করে।
- ত্বকের নমনীয়তা বাড়ায়।
কেমন করে ব্যবহার করবেন
- আপনি যখন রাতে ঘুমাতে যাবেন তার আগে মুখ পরিষ্কার করুন।
- ত্বক শুকনো হলে ক্রিম লাগান।
- আঙ্গুলের ডগা দিয়ে ক্রিম আলতো ভাবে মাসাজ করে লাগান।
- চোখের আশেপাশে চেষ্টা করবেন এড়িয়ে চলার।
- নাইট ক্রিম ব্যবহারের পর আপনি অন্য কোন পণ্য ব্যবহার করবেন না।
ছেলেদের ফর্সা হওয়ার নাইট ক্রিম
আপনাদের মত অনেক পুরুষ রয়েছেন যারা রাতের সময় ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর
জন্য বিশেষ নাইট ক্রিম ব্যবহার করতে আগ্রহী প্রকাশ করেন। এ ধরনের
ক্রিমগুলো রাতে আপনার ত্বকের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় কাজ
করে। সাধারণত রাতের বেলায় মেলানিন উৎপাদন কমানোর উপাদান গুলো
সবচেয়ে ভালো কাজ করে থাকে। কারণ সূর্যের আলোর কোন উপস্থিতিতে এগুলো
নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম থাকে। ফর্সা হওয়ার নাইট ক্রিম গুলো
আপনার ত্বকের রঙের অসমতা দূর করতে এবং কালো দাগ কমাতে ও ত্বককে
উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
হাইড্রোকুইনোন যুক্ত নাইট ক্রিম
নিয়াসিনামাইড যুক্ত নাইট ক্রিম
- মেলানিন উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে।
- কালো দাগ এবং হাইপারপিগমেন্টেশন কমায়
নিয়াসিনামাইড যুক্ত নাইট ক্রিম
- সেটাফিল ব্রাইটেনিং নাইট প্রোটেকশন ক্রিম
- আপনার ত্বকের টোন উন্নত করতে সাহায্য করে
- হাইপারপিগমেন্টেশনের বিরুদ্ধে কাজ করে
ভিটামিন সি যুক্ত নাইট ক্রিম
- মিউরাড এসেনশিয়াল-সি ডে ময়েশ্চার
- অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে
- আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে
অ্যাজেলাইক অ্যাসিড যুক্ত নাইট ক্রিম
- মেলানিন উৎপাদন প্রতিরোধ করে
- হাইপারপিগমেন্টেশন কমায়
- ত্বকের রঙের অসমতা দূর করে
কোজিক অ্যাসিড যুক্ত ক্রিম
- উদ্ভিদ থেকে প্রাপ্ত অ্যাসিড যা মেলানিন উৎপাদন কমায়
- হালকা এবং প্রাকৃতিক বিকল্প হিসেবে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন
সব বাজ ব্লগিং ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url