সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কিভাবে শিখব - ওয়েবসাইটের ট্র্যাফিক বাড়ান

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কিভাবে শিখব? Seo শিখে কিভাবে আয় করবো? এসইও ক্যারিয়ার? এ ধরনের হাজারো প্রশ্ন আমাদের মনে ঘুরপাক খায় বিশেষ করে যারা ফ্রিল্যান্সিং জগতে আসতে চাচ্ছেন। SEO শেখার গাইডলাইন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।



সার্চ-ইঞ্জিন-অপটিমাইজেশন-কিভাবে-শিখব

আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে জানতে পারবেন সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন করার কৌশল, ব্যাক লিংক তৈরি করার উপায় এবং SEO এর ভবিষ্যৎ ইত্যাদি আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। বিস্তারিত আরও তথ্য জানতে আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

পোস্ট সূচীপত্রঃ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কিভাবে শিখব

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কিভাবে শিখব

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কিভাবে শিখব? এ ধরনের প্রশ্ন বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব বেশি দেখা যায়। হতে পারে তাদের মধ্যে আপনি একজন। সহজ ভাষায় বললে, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হলো এক ধরনের প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনার যদি কোন ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ থাকে তাহলে সেটিকে গুগল অথবা সার্চ ইঞ্জিনে ভালোভাবে রেংকিং করতে সাহায্য করে। একজন ব্লগার এবং আর্টিকেল রাইটারের জন্য SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। SEO শিখে আপনি কিভাবে আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বাড়াবেন এবং Seo শিখতে কি কি লাগে পুরো প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো। 

SEO কি এবং এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের বিভিন্ন কনটেন্ট, স্ট্রাকচার এবং টেকনিক্যাল বিষয়গুলো উন্নত করে এতে করে আপনার ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিন এ সঠিকভাবে স্থান পায়। যারা google এবং অন্য সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারকারীরা কোন কিছু সার্চ করার সময় তাদের একাধিক পছন্দ থাকে। স্যার ইঞ্জিন ব্যবহারকারীরা যে তথ্য চাই সেগুলো যদি আপনি সরবরাহ করতে পারেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে রাঙ্কিং বাড়বে। এজন্য আপনাকে SEO শিখতে হবে। সোর্সঃ Moz

SEO শেখার জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ

আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে চান তাহলে প্রথম পদক্ষেপ হলো কিওয়ার্ড রিসার্চ করা। কিওয়ার্ড রিসার্চ এজন্যই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কোন শব্দ অথবা বাক্যগুলি একজন ব্যবহারকারী সার্চ করে। তারপর আপনি আপনার কন্টেন্টের সঙ্গে সেটি মিলিয়ে উপযুক্ত কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে। এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট অথবা আর্টিকেল গুগলে ভালো ‍ রেঙ্ক পাবে। এজন্য আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ এর জন্য বেশি ফোকাস দিতে হবে। কিছু জনপ্রিয় কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলসগুলো এক নজরে দেখে নিন।

  • Google Keyword Planner
  • Ubersuggest
  • Ahrefs
তথ্যসূত্রঃ Ahrefs

অনপেজ SEO - On-Page SEO

অন পেজ এসইও কি? অনপেজ সার্চ ইঞ্জিন বলতে সে সমস্ত কার্যকলাপ কে বোঝায় যা আপনার ওয়েবসাইটের প্রতিটি পেজের ভেতরে করেন। কারণ অন পেজ SEO করার মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন সেগুলি ভালোভাবে শনাক্ত করে। এটি সাধারণত কয়েকটি প্রধান টেকনিক নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে যেমনঃ--

1. Title Tag: আপনার প্রতিটি পেজের টাইটেল সঠিকভাবে কিওয়ার্ডের সঙ্গে মিল থাকতে হবে। মনে করুন আপনি একটি ব্লগ পোস্ট লিখেছেন। ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে, তাহলে আপনার এই পেজের টাইটেল হওয়া উচিত ডিজিটাল মার্কেটিং-২০২৫ সালে সাফল্য লাভের উপায়।

2. Meta Description: আপনি যখন কোন একটি টপিক নিয়ে গুগলে সার্চ দেন, সেখানে দেখবেন মূল টপিকের নিচে ২-৩ লাইন বর্ণনা দেওয়া থাকে সেটিকে সাধারণত Meta Description বলা হয়।

3. Header Tags (H1, H2, H3): আপনার কনটেন্ট অথবা আর্টিকেল এ ঈদের মাধ্যমে হেডিংস অথবা সাবহেডিংস গঠন করতে হবে।

H1 হল আপনার পেজের প্রধান শিরোনাম। আপনি যে বিষয়টির ওপর কনটেন্ট অথবা আর্টিকেল লিখতে চাচ্ছেন সেটিকে বোঝাচ্ছে। যেমনঃ H1: ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল। H2 মানে হচ্ছে আপনার কনটেন্টের প্রধান শিরোনামের অধীনে যেগুলো সাব টপিক রয়েছে সেটিকে বোঝানো হচ্ছে। আপনার আর্টিকেলের অথবা কনটেন্টের প্রধান শিরোনাম যদি H1: ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল এটি হয় তাহলে


এর হেডিং হচ্ছে মানে পোস্ট সূচীপত্র H2: ডিজিটাল মার্কেটিং কি? অপরদিকে H3 হচ্ছে আরো ছোট অথবা বিস্তারিত বিষয়গুলো নির্দেশ করার জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে। মনে করুন আপনি H2 এর অধীনে আরো বেশি তথ্য উপস্থাপন করতে হয় সেক্ষেত্রে H3 ব্যবহার করা লাগে। যেমনঃ H3: ডিজিটাল মার্কেটিং এর ধরণ।

সংক্ষেপে যদি বলি তাহলে

  • H1: ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল
  • H2: ডিজিটাল মার্কেটিং কি?
  • H3: ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব

H2: ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল

  • H3: কন্টেন্ট মার্কেটিং
  • H3: সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

সোর্সঃ Moz

Image Optimization: আপনাকে ইমেজের ALT ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে যাতে করে মেটা ডিস্ক্রিপশন অথবা সার্চ ইঞ্জিনে রেজাল্ট দেখানো হয়।

Internal Linking: মনে করুন আপনি কোন একটি কনটেন্ট লিখছেন এবং সে কনটেন্ট এর সাথে মিল রয়েছে এমন অনেক কনটেন্ট আপনার ওয়েবসাইটে রয়েছে। এখন আপনার কাজ হল যে বিষয়টির উপর কেন্দ্র করে আপনি কন্টেন্ট লিখছেন তার সাথে মিল রয়েছে আপনার ওয়েবসাইটের এমন অন্য কনটেন্ট যুক্ত করুন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যুক্ত কিভাবে করবেন। আপনি আরো পড়ুন সেকশন যোগ করতে পারবেন।

সোর্সঃ Moz

অফপেজ SEO-Off-Page SEO

অফ পেজ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হলো সেই সমস্ত কার্যকলাপ যেগুলো আপনার ওয়েবসাইট এর বাইরে ঘটে। সহজ ভাষায় বললে অফ পেজ SEO হলো ব্যাক লিঙ্ক তৈরি করার প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের অথরিটি বাড়াতে সাহায্য করে এবং আপনার সাইট আরো বিশ্বাস যোগ্য হয়ে ওঠে। বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট থেকে আপনার ওয়েবসাইটে ভালো কোয়ালিটির ব্যাক লিংক SEO এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

  • Backlinks: আপনাকে ভালো মানের ব্যাক লিঙ্ক তৈরি করতে হবে
  • Social Media Engagement: যে সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলো রয়েছে সেখানে আপনার কনটেন্ট বেশি বেশি শেয়ার করুন। এছাড়া ফেসবুক সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি গ্রুপ তৈরি করুন যেখানে আপনার কনটেন্ট নিয়মিত পাবলিশ করা হবে। এবং আস্তে আস্তে আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক আসতে শুরু করবে।
  • গেস্ট পোস্টিংঃ সহজ ভাষায় বললে আপনার লেখা কনটেন্ট অথবা আর্টিকেল অন্য কোন ওয়েবসাইট অথবা ব্লগে পোস্ট হিসেবে শেয়ার করা তখন সেটিকে গেস্ট পোস্ট হিসেবে বিবেচিত করা হয়। আরো সহজ ভাষায় বললে মনে করুন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল নিয়ে লেখালেখি করেন। এখন আপনি যদি কোন একটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে গিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেন্ডস ২০২৫ বিষয়ে একটি গেস্ট পোস্ট লেখেন তাহলে সেটিকে সাধারণত গেস্ট পোস্টিং বলা হয়ে থাকে। 
সোর্সঃ Neil Patel

টেকনিকাল SEO-Technical SEO

এটি সহজ ভাষায় বললে আপনার ওয়েবসাইটের টেকনিক্যাল দিক উন্নত করার একটি প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সহজে স্ক্রল এবং শনাক্ত করতে পারে।
  • Website Speed: প্রথমত আপনার ওয়েবসাইটের গতি দ্রুত দ্রুত হতে হবে। যদি স্লো হয় তাহলে র‍্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইট পিছিয়ে পড়তে পারে।
  • Mobile-Friendly: আপনার ওয়েবসাইট অবশ্যই মোবাইল ফ্রেন্ডলি, সহজ ভাষায় মোবাইলের জন্য উপযোগী হতে পারে কারণ 90% ভিজিটর মোবাইল থেকে আসে। 
  • XML Sitemap: আপনাকে একটি XML সাইট ম্যাপ তৈরি করতে হবে যা সার্চ ইঞ্জিনকে আপনার সাইটের স্ট্রাকচার বুঝতে সাহায্য করবে।
  • SSL Certificate (HTTPS): এটি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য নিরাপত্তার নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হয়। 
তথ্যসূত্রঃ Google Webmasters

Google অ্যানালিটিক্স অথবা google সার্চ কন্ট্রোল

Google অ্যানালিটিক্স অথবা google সার্চ কন্ট্রোল আপনার ওয়েবসাইট এর পারফরম্যান্স কেমন এবং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা SEO বুঝতে সাহায্য করবে। এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন আপনার কোন পেজ বেশি ভিউ পাচ্ছে এবং আরো দেখতে পাবেন আপনার সাইট কিভাবে সার্চ রেজাল্টে র‍্যাংক করছে।

তথ্যসূত্রঃ  Google Analytics

 SEO কন্টেন্ট কৌশল

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক হলো কন্টেন্ট মার্কেটিং। আপনাকে এমন কনটেন্ট তৈরি করতে হবে যা পাঠকদের কাছে মানসম্মত এবং বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য। গুগল আপনার সেই কনটেন্টকে ভালো মানের কনটেন্ট হিসেবে ‍র‍্যাঙ্ক  করাবে। 

তথ্যসূত্রঃ  Content Marketing Institute

SEO ওয়েবসাইটগুলো অনুসরণ করা

আপনি যদি SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে চান তাহলে বিশ্বের যেগুলো বড় পর্যায়ের SEO ওয়েবসাইট রয়েছে সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন। আপনি এই সমস্ত জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে SEO শিখতে পারবেন যেমনঃ

  • Moz
  • Ahrefs
  • Neil Patel
SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কিভাবে শিখব? সে সম্পর্কে আশা করি কিছুটা ধারণা পেয়েছেন। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অথবা SEO শিখতে হলে আপনাকে একটি কোর্স করতে হবে। তাহলে আপনি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে ভালো একটি দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন। 

সঠিক কীওয়ার্ড নির্বাচন করার কৌশল

একজন লেখক অথবা ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে আপনাকে সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে। আমরা যখন কোন কিওয়ার্ড নির্বাচন করি তখন চেষ্টা করি সেই কিওয়ার্ড নির্বাচন করার জন্য যা মানুষ অনুসন্ধান করে অথবা তাদের আগ্রহের সাথে সম্পর্কিত। সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচনের মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইট অথবা কনটেন্টকে সার্চ ইঞ্জিনে রেংক করাতে পারবেন। একজন প্রফেশনাল কিভাবে সঠিক কিবোর্ড নির্বাচন করেন চলুন, সেটি জেনে নেওয়া যাক।

আপনাকে গবেষণা করতে হবে

কিওয়ার্ড নির্বাচনের আগে অবশ্যই আপনাকে ভালোভাবে গবেষণা করতে হবে। এই কাজের জন্য আপনি  Google Trends, Keyword Planner এবং অন্যান SEO টুলস ব্যবহার করে কিওয়ার্ড খুঁজে বের করতে হবে। এমন কিওয়ার্ড নিতে হবে যেগুলো সারা বছর গুগলে সার্চ হয় এবং মানুষের চাহিদা রয়েছে। 

প্রাসঙ্গিক কীওয়ার্ড নির্বাচন করুন

কীওয়ার্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রে আপনাকে যে বিষয়টি মনে রাখতে হবে তা হলো, এমনকি ওয়ার্ল্ডে নিতে হবে যা আপনার কনটেন্ট এর সাথে সম্পর্কিত। মনে করুন আপনার কিওয়ার্ড মোটা হওয়ার সহজ উপায় তাহলে আপনাকে এর সাথে সম্পর্কিত এ ধরনের কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে। 

কম্পিটিশন বিশ্লেষণ করুন

কীওয়ার্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রে আপনাকে বুঝতে হবে কোন কিওয়ার্ড গুলো কম প্রতিযোগিতায় রয়েছে। আপনি যদি কম প্রতিযোগিতা পূর্ণ কিওয়ার্ড নির্বাচন করেন তাহলে আপনার কন্টেন্ট এবং ওয়েবসাইট সহজেই সার্চ ইঞ্জিনে উচ্চতর স্থান পাবে।

লং টেল কিওয়ার্ড ব্যবহার

লং টেল কিউওয়ার্ড বলতে বোঝায় দীর্ঘ এবং নির্দিষ্ট শব্দগুলো যেমনঃ সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন কিভাবে করবেন। এই ধরনের কিওয়ার্ড আপনাকে বেছে নিতে হবে কারণ লং টেল কিওয়ার্ডে প্রতিযোগিতা কম থাকে এবং আপনার ট্রাফিক লক্ষ্যবস্তু করা সহজ হয়।

অনলাইন টুল এর ব্যবহার

প্রফেশনাল SEO বিশেষজ্ঞরা যে ধরনের টুলস ব্যবহার করে যেমনঃ Google Keyword Planner, SEMrush, Moz, Ahrefs ইত্যাদি। এই টুলস গুলো ব্যবহার করে আপনাকে কিওয়ার্ড গবেষণা করতে হবে। এই টুলসগুলো আপনাকে কিওয়ার্ড খুঁজতে এবং বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করবে।

পাঠক চাহিদা নির্ধারণ করুন

কিওয়ার্ড নির্বাচন করার সময় আপনাকে একটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে যে আপনি যে কিওয়ার্ড ব্যবহার করছেন সেই কিওয়ার্ড কি আপনার লক্ষ্য পাঠক অথবা ব্যবহারকারী সত্যিই খুঁজছে। আপনার বিষয়ের মধ্যে এমন কীবোর্ড অন্তর্ভুক্ত করতে হবে যা পড়াশোনার জন্য সঠিক এবং প্রাসঙ্গিক, তবে সেটি বেশি কার্যকরী হবে।

ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করার জন্য সেরা পদ্ধতিগুলি

SEO এর গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হলো ব্যাকলিংক। একটি ওয়েবসাইটে যখন অন্য কোন ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দেওয়া হয় তখন সেটিকে ব্যাকলিংক বলা হয়। এই ব্যাক লিংকগুলো সার্চ ইঞ্জিন গুলোর কাছে আপনার ওয়েবসাইটের গ্রহণযোগ্যতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করে। সেজন্য আপনি যদি সঠিক ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারেন আপনার ওয়েবসাইটের জন্য তাহলে রেংকিং বৃদ্ধির পাশাপাশি আপনার কনটেন্ট দর্শকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। কিছু কার্যকরী কৌশল তুলে ধরব যেটি অনুসরণ করলে আপনি ব্যাকলিংক খুব সহজে তৈরি করতে পারবেন।

উচ্চমানের কনটেন্ট তৈরি করতে হবে

আপনাকে উচ্চ মানের কনটেন্ট যেটি হতে হবে ইনফরমেটিভ এবং প্রাসঙ্গিক। তখন স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মধ্যে আপনার কন্টেনটের লিংক শেয়ার করতে ইচ্ছা হবে। যখন আপনার কনটেন্ট উপকারে এবং গবেষণা ভিত্তিক ও নির্ভরযোগ্য হবে তখন আপনার কনটেন্টে ব্যাকলিংক পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

গেস্ট পোস্টিং হিসেবে কাজ করুন

গেস্ট পোস্টিং মানে হল আপনি অন্যর ওয়েবসাইটে ব্লগ অথবা আর্টিকেল লিখে দেন। এর মাধ্যমে আপনি সহজে ব্যাকলিংক পেতে পারেন। আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে ব্লগে আপনি যে পোস্ট লিখছেন তা অবশ্যই উচ্চমানের হতে হবে পাশাপাশি আপনার নিচে একটি প্রাসঙ্গিক লিংক যুক্ত করতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে শেয়ার করুন

আপনি চেষ্টা করবেন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলোতে আপনার কনটেন্ট শেয়ার করার তাহলে সেটি অনেক মানুষ দেখতে পাবে। যার ফলে তারা সেই ব্যাকলিংক যোগ করতে পারে। আমার মতে এটি একটি সহজ উপায়।

ডিরেক্টরি সাবমিশন

এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইট নিবন্ধন করতে পারবেন। এই ভডিরেক্টরিগুলিতে আপনার ওয়েবসাইট সঠিকভাবে নিবন্ধিত হলে আপনি একটি উচ্চমানের ব্যাকলিংক পেতে পারেন। তবে খুব বেশি ডিরেক্টরি সাবমিশন না করাই ভালো এতে কিছু ডিরেক্টারি বা লিংক টুলস গুলো গুগল এর কাছে হিসেবে স্প্যাম  চিহ্নিত হতে পারে।

প্রেস রিলিজ এবং মিডিয়া কভারেজ

প্রেস রিলিজ (একটি আনুষ্ঠানিক এবং সংক্ষিপ্ত বিবৃতি যা কোম্পানি, সংস্থা অথবা ব্যক্তির পক্ষ থেকে মিডিয়ার কাছে পাঠানো হয়) প্রকাশ করার মাধ্যমে আপনি সহজেই ব্যাক লিংক  তৈরি করতে পারেন। বিশেষ কোন ইভেন্ট অথবা নতুন কোন প্রোডাক্ট সম্পর্কে প্রেস রিলিজ বের করলে এটি মিডিয়া আউটলেট এবং ব্লগের মাধ্যমে ব্যাকলিংক হিসেবে আপনার সাইটে ফিরতে পারে।

প্রতিযোগিতা বিশ্লেষণ

আপনাকে আপনার প্রতিযোগীদের ওয়েবসাইটের ব্যাক লিংক বিশ্লেষণ করতে হবে। যেসব ওয়েবসাইট গুলো তাদের কাছ থেকে ব্যাকলিংক পেয়েছে সেগুলো লক্ষ্য করে আপনি সেগুলোর সাথে সম্পর্ক তৈরি করতে পারেন এবং এতে করে আপনি তাদের মত সুবিধা পেতে পারেন।

এসইও শিখতে কতদিন লাগে কার্যকর পরিকল্পনা

SEO শিখতে কতদিন লাগতে পারে এ ধরনের প্রশ্ন বিশেষ করে তাদের যারা নতুন এই জগতে আসতে চাচ্ছেন। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা SEO কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা এতক্ষণে বুঝতে পেরেছেন। SEO বা search engine optimization শিখতে কতদিন লাগতে পারে সেটি বলা কঠিন। যদি আপনি নিয়মিত ধৈর্য এবং পরিশ্রমের সাথে সামনে এগিয়ে যেতে পারেন তাহলে আনুমানিক সময়সীমা হতে পারে ৩-৬ ছয় মাস। 

আমি উপরের দিকে SEO কিভাবে শিখবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত এবং ডিটেইলস আলোচনা করেছি। সেগুলো আপনাকে প্রতিনিয়ত ফলো করতে হবে এবং একটি ভালো কোর্স করতে হবে। আপনি শুধু ঠিক মত লেগে থাকতে পারেন তাহলে খুব বেশি দেরি হবে না। এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করবে আপনার উপর আপনি প্রতিদিন কেমন তার প্রতি সময় ব্যয় করছেন। ভালোভাবে লেগে থাকুন ইনশাল্লাহ সফল হবেন।

এস ই ও এর ভবিষ্যৎ এক নতুন যুগের দিকে

বর্তমানে ডিজিটাল যুগের ব্যবসা এবং মার্কেটিং এর কৌশল গুলো দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অথবা SEO ওয়েবসাইটের কনটেন্ট কে রেংকিং বা ভিজিটর বাড়ানোর উপায় শুধু নয় বরং এটি একটি অনলাইন ব্যবসায়িক কৌশল। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ভবিষ্যতে SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে কি ধরনের পরিবর্তন হবে সেটা আমাদের প্রত্যেকের জন্য জানা অত্যন্ত জরুরী।

SEO বা ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর ভবিষ্যৎ চাহিদা

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে যে বিষয়টি বোঝা যায় তা হল আগামী বছরগুলিতে SEO এর চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাবে। কারণ প্রতিনিয়ত বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমান মার্কেট গুলোতে ডিজিটাল মার্কেটিং চাহিদা সম্পন্ন। এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর প্রয়োজনীয়তা বাড়বে। যাদের ছোট বড় ব্যবসা রয়েছে সে সমস্ত ওয়েবসাইটের ট্রাফিক আনার জন্য SEO অথবা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর উপর নির্ভরশীল হতে হবে।

AI এবং মেশিন লার্নিং

আপনাকে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে SEO শুধু কিওয়ার্ড ভিত্তিক নয়। AI এবং মেশিন লার্নিং এর ব্যবহারের জন্যও SEO তে বিপ্লব ঘটতে শুরু করেছে। বর্তমানে যারা সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করছে সার্চ ইঞ্জিন গুলি ব্যবহারকারীদের আরো ভালো এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা দিচ্ছে। সহজ ভাষায় বললে আপনি কি ধরনের তথ্য পেতে চাচ্ছেন সেই অনুযায়ী আপনাকে তথ্য বা সঠিক ফলাফল দেখানো হয়। যারা SEO এক্সপার্ট রয়েছে তারা আরো বুদ্ধিমান উপায়ে কনটেন্ট

তৈরির পাশাপাশি ওয়েবসাইট এর মান উন্নত করছে, যেন তাদের ওয়েবসাইট অথবা কনটেন্ট গুগল সার্চ ইঞ্জিনে ভালোভাবে কাজ করতে পারে। এছাড়া বর্তমানে AI এর জন্য আগের মতো কষ্ট করে কনটেন্ট লিখতে হয় না। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট দ্বারা সক্রিয়ভাবে কনটেন্ট তৈরি করা যাচ্ছে এবং সঠিক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যা SEO বা ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর কাজে ব্যবহার হচ্ছে।

মোবাইল ফ্রেন্ডলি এবং ইন্টারনেটের পরিবর্তনশীল ব্যবহার

বর্তমানে স্মার্টফোন ব্যবহার করে না এমন লোকের সংখ্যা খুব কম। ছোট থেকে শুরু করে বড় পর্যন্ত সবার হাতে এখন স্মার্টফোন। বর্তমানে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আশা করা যাচ্ছে ভবিষ্যতেও এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। সে জন্য SEO তে মোবাইল ফ্রেন্ডলি ডিজাইন অথবা মোবাইল অপ্টিমাইজড কনটেন্ট এর গুরুত্ব আরো বেশি বৃদ্ধি পাবে। তাছাড়া গুগল ফার্স্ট ইনডেক্সিংয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মোবাইল থেকে সার্চ করা কনটেন্ট গুলোর মান বিবেচনা করে ওয়েবসাইটে রেংকিং নির্ধারণ করা। 

ভয়েস সার্চের উত্থান

বর্তমানে মানুষজন ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট, সিরি বা অ্যালেক্সার এর মাধ্যমে সার্চ করছে। SEO এর জন্য বর্তমানে এটি একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে কারণ আপনি যখন কোন কিছু লিখে গুগলে সার্চ করেন তখন টাইপ করেন best restaurants in Dhaka কিন্তু আপনি যখন ভয়েস ব্যবহার করেন তখন হয়তো বলতে পারেন ঢাকায় ভালো রেস্টুরেন্ট কোথায়। SEO অথবা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বিশ্লেষকদের জন্য এই নতুন কৌশল বুঝতে হবে এবং ভয়েস ছাড়ছে উপযুক্ত কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।

লোকাল SEO এবং ইউজার এক্সপিরিয়েন্স

বর্তমানে আপনি যদি চোখ কান খোলা রাখেন তাহলে লোকাল SEO অথবা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন গুরুত্বপূর্ণ টপিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাদের ছোট ব্যবসা অথবা প্রতিষ্ঠান রয়েছে তারা এখন চায় তাদের ওয়েবসাইটগুলোকে স্থানীয় সার্চে বিশেষভাবে প্রাধান্য দেওয়া হোক সেজন্য তারা অপটিমাইজ করছে। এছাড়া গুগল মাই বিজনেস ও লোকাল রিভিউগুলো স্থানীয় SEO বাস সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন রেংকিংয়ে গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সার্চ ইঞ্জিনের উন্নত প্রযুক্তি

বর্তমানে গুগল ছাড়া অন্যান্য যে সমস্ত সার্চ ইঞ্জিন গুলো রয়েছে তারা এখন ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং এবং আরো উন্নত টেকনোলজি ব্যবহার করছে। এটি ব্যবহারের কারণে সার্চ ইঞ্জিন আরো বিশ্বস্ত ফলাফল মানুষদের প্রদান করছে এবং SEO কৌশল গুলোকে নতুনভাবে তৈরি করছে।

তথ্যসূত্রঃ 
  • The Future of SEO: How AI Is Already Changing Search Engine... ResearchFDI
  • Will SEO exist in 10 years? Antlerzz
  • SEO: The Future Outlook LinkedIn Pulse

Seo করে কত টাকা আয় করা যায় আসুন জানি

তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা যেমন বেড়েছে তেমনি ভাবে ওয়েবসাইট অপটিমাইজেশন এর গুরুত্বও বেড়েছে। সেজন্য SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শুধুমাত্র দক্ষতা নয় বরং এটি আপনার জন্য লাভজনক ক্যারিয়ার হতে পারে। SEO করে আপনি কত টাকা আয় করতে পারবেন সেটি নির্ভর করবে বিভিন্ন ফ্যাক্টরের উপর যেমনঃ অভিজ্ঞতা, কাজের ধরন এবং ক্লায়েন্টের প্রয়োজনীয়তার উপর। তাহলে চলুন, SEO এর মাধ্যমে আপনার কেমন আয় হতে পারে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়।

SEO বিশেষজ্ঞদের মাসিক অথবা বার্ষিক ইনকাম

SEO বিশেষজ্ঞদের ইনকাম নির্ভর করবে বিভিন্ন স্তরের উপর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন SEO বিশেষজ্ঞদের বার্ষিক আয় সাধারণত ৪৫০০০-৭৫০০০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে। অপরদিকে যারা SEO ডিরেক্টর অথবা লিডার রয়েছে তাদের বেতন বছরে ৮০০০০ ডলার বা তার বেশি হতে পারে।

ফ্রিল্যান্সিং SEO তে কেমন আয় হয়

Upwork, Fiverr, Freelancer, এবং PeoplePerHour ইত্যাদি সাইট গুলোতে SEO বিশেষজ্ঞরা তাদের সেবা প্রদান করার মাধ্যমে প্রতিদিন আয় করছেন। একজন SEO বিশেষজ্ঞ প্রতিমাসে গড়ে ৫০০-৫০০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন। এটি নির্ভর করবে সাধারণত তার কাজের ধরন, ক্লায়েন্টের চাহিদা এবং পরিমাণের ওপর। এছাড়া যারা SEO বিশেষজ্ঞ রয়েছেন তারা প্রতি মাসে ৩০০০-১০০০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন। 

তথ্যসূত্রঃ Fiverr, Upwork

SEO ব্লগ অথবা ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম

আপনার যদি একটি ব্লগ অথবা ওয়েবসাইট থাকে তাহলে SEO এর মাধ্যমে সেখান থেকে আপনি আয় করতে পারবেন। সেজন্য আপনাকে ভাল কনটেন্ট তৈরি করতে হবে এবং সঠিকভাবে SEO কৌশল ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া আপনি গুগল অ্যাডসেন্স অথবা এফিলিয়েট মার্কিনিটি এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট অথবা ব্লক থেকে ইনকাম করতে পারবেন। SEO যদি সঠিকভাবে আপনার ওয়েবসাইটে এপ্লাই করতে পারেন তাহলে ট্রাফিক বৃদ্ধির পাশাপাশি বিজ্ঞাপন এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম থেকে আয় করা সম্ভব।

সোর্সঃ Google AdSense

SEO কনসালটেন্সি থেকে আয়

আপনি যদি SEO দক্ষ হন তাহলে, SEO বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করতে পারেন। অনেক বড় কোম্পানি রয়েছে যারা তাদের সাইটের SEO আপডেট করার জন্য বিশেষজ্ঞদের খুঁজে থাকে। এক্ষেত্রে আপনি প্রতি প্রজেক্ট এর জন্য ১০০০-১০০০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। কাজটি করার মাধ্যমে আপনি একাধিক ক্লায়েন্টের সঙ্গে পরিচিত হবেন এবং আমার মতে এটি একটি লাভজনক ক্যারিয়ার হতে পারে।

SEO শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ থেকে আয়

এই কাজটির জন্য আপনাকে অবশ্যই একজন SEO বিশেষজ্ঞ হতে হবে। বর্তমানে SEO শেখার জন্য অনেক প্ল্যাটফর্মে কোর্স তৈরি করা যায় যেমনঃ Udemy, Skillshare, Teachable ইত্যাদি প্ল্যাটফর্মগুলোতে SEO কোর্স শুরু করে আপনি আয় করতে পারবেন। এছাড়া আপনি কোর্স বিক্রি করার মাধ্যমে প্রতিদিন অথবা মাসে ভালো পরিমাণ অর্থ আয় করতে পারবেন। 

সোর্সঃ Udemy

ব্যক্তিগত মতামতঃ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কিভাবে শিখব

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কিভাবে শিখব? আশা করি এই সম্পর্কে আপনি মোটামুটি ধারণা পেয়েছেন। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অথবা SEO শেখার জন্য আমার মতে, একটি কোর্স করুন যার মাধ্যমে আপনি পরিপূর্ণ একটি গাইডলাইন পাবেন। সেই সাথে আপনাকে ধৈর্য, পরিশ্রম এবং পজেটিভ চিন্তাভাবনা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। SEO এর ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার আগামী বছরগুলোতে অনেক সুন্দর হতে যাচ্ছে। তাই আমার মতে এটি ক্যারিয়ার হিসেবে একটি ভালো সিদ্ধান্ত।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সব বাজ ব্লগিং ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url