Internal Linking: মনে করুন আপনি কোন একটি কনটেন্ট লিখছেন এবং সে কনটেন্ট এর সাথে
মিল রয়েছে এমন অনেক কনটেন্ট আপনার ওয়েবসাইটে রয়েছে। এখন আপনার কাজ হল যে
বিষয়টির উপর কেন্দ্র করে আপনি কন্টেন্ট লিখছেন তার সাথে মিল রয়েছে আপনার
ওয়েবসাইটের এমন অন্য কনটেন্ট যুক্ত করুন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যুক্ত কিভাবে করবেন।
আপনি আরো পড়ুন সেকশন যোগ করতে পারবেন।
অফ পেজ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হলো সেই সমস্ত কার্যকলাপ যেগুলো আপনার
ওয়েবসাইট এর বাইরে ঘটে। সহজ ভাষায় বললে অফ পেজ SEO হলো ব্যাক লিঙ্ক তৈরি করার
প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের অথরিটি বাড়াতে সাহায্য করে এবং
আপনার সাইট আরো বিশ্বাস যোগ্য হয়ে ওঠে। বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট থেকে আপনার
ওয়েবসাইটে ভালো কোয়ালিটির ব্যাক লিংক SEO এর জন্য অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ।
এটি সহজ ভাষায় বললে আপনার ওয়েবসাইটের টেকনিক্যাল দিক উন্নত করার একটি
প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সহজে স্ক্রল এবং
শনাক্ত করতে পারে।
Google অ্যানালিটিক্স অথবা google সার্চ কন্ট্রোল আপনার ওয়েবসাইট এর
পারফরম্যান্স কেমন এবং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা SEO বুঝতে সাহায্য করবে। এর
মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন আপনার কোন পেজ বেশি ভিউ পাচ্ছে এবং আরো দেখতে পাবেন
আপনার সাইট কিভাবে সার্চ রেজাল্টে র্যাংক করছে।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক হলো কন্টেন্ট মার্কেটিং।
আপনাকে এমন কনটেন্ট তৈরি করতে হবে যা পাঠকদের কাছে মানসম্মত এবং বিশ্বস্ত ও
নির্ভরযোগ্য। গুগল আপনার সেই কনটেন্টকে ভালো মানের কনটেন্ট হিসেবে
র্যাঙ্ক করাবে।
আপনি যদি SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে চান তাহলে বিশ্বের যেগুলো বড়
পর্যায়ের SEO ওয়েবসাইট রয়েছে সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন। আপনি এই সমস্ত
জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে SEO শিখতে পারবেন যেমনঃ
SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কিভাবে শিখব? সে সম্পর্কে আশা করি কিছুটা
ধারণা পেয়েছেন। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অথবা SEO শিখতে হলে আপনাকে একটি
কোর্স করতে হবে। তাহলে আপনি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে ভালো একটি
দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।
সঠিক কীওয়ার্ড নির্বাচন করার কৌশল
একজন লেখক অথবা ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে আপনাকে সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন
করতে হবে। আমরা যখন কোন কিওয়ার্ড নির্বাচন করি তখন চেষ্টা করি সেই কিওয়ার্ড
নির্বাচন করার জন্য যা মানুষ অনুসন্ধান করে অথবা তাদের আগ্রহের সাথে
সম্পর্কিত। সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচনের মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইট অথবা
কনটেন্টকে সার্চ ইঞ্জিনে রেংক করাতে পারবেন। একজন প্রফেশনাল কিভাবে সঠিক
কিবোর্ড নির্বাচন করেন চলুন, সেটি জেনে নেওয়া যাক।
আপনাকে গবেষণা করতে হবে
কিওয়ার্ড নির্বাচনের আগে অবশ্যই আপনাকে ভালোভাবে গবেষণা করতে হবে। এই কাজের
জন্য আপনি Google Trends, Keyword Planner এবং অন্যান SEO টুলস ব্যবহার
করে কিওয়ার্ড খুঁজে বের করতে হবে। এমন কিওয়ার্ড নিতে হবে যেগুলো সারা বছর
গুগলে সার্চ হয় এবং মানুষের চাহিদা রয়েছে।
প্রাসঙ্গিক কীওয়ার্ড নির্বাচন করুন
কীওয়ার্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রে আপনাকে যে বিষয়টি মনে রাখতে হবে তা হলো,
এমনকি ওয়ার্ল্ডে নিতে হবে যা আপনার কনটেন্ট এর সাথে সম্পর্কিত। মনে করুন
আপনার কিওয়ার্ড মোটা হওয়ার সহজ উপায় তাহলে আপনাকে এর সাথে সম্পর্কিত এ
ধরনের কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।
কম্পিটিশন বিশ্লেষণ করুন
কীওয়ার্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রে আপনাকে বুঝতে হবে কোন কিওয়ার্ড গুলো কম
প্রতিযোগিতায় রয়েছে। আপনি যদি কম প্রতিযোগিতা পূর্ণ কিওয়ার্ড নির্বাচন
করেন তাহলে আপনার কন্টেন্ট এবং ওয়েবসাইট সহজেই সার্চ ইঞ্জিনে উচ্চতর স্থান
পাবে।
লং টেল কিওয়ার্ড ব্যবহার
লং টেল কিউওয়ার্ড বলতে বোঝায় দীর্ঘ এবং নির্দিষ্ট শব্দগুলো যেমনঃ সঠিক
কিওয়ার্ড নির্বাচন কিভাবে করবেন। এই ধরনের কিওয়ার্ড আপনাকে বেছে নিতে হবে
কারণ লং টেল কিওয়ার্ডে প্রতিযোগিতা কম থাকে এবং আপনার ট্রাফিক লক্ষ্যবস্তু
করা সহজ হয়।
অনলাইন টুল এর ব্যবহার
প্রফেশনাল SEO বিশেষজ্ঞরা যে ধরনের টুলস ব্যবহার করে যেমনঃ Google Keyword
Planner, SEMrush, Moz, Ahrefs ইত্যাদি। এই টুলস গুলো ব্যবহার করে আপনাকে
কিওয়ার্ড গবেষণা করতে হবে। এই টুলসগুলো আপনাকে কিওয়ার্ড খুঁজতে এবং
বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করবে।
পাঠক চাহিদা নির্ধারণ করুন
কিওয়ার্ড নির্বাচন করার সময় আপনাকে একটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে যে আপনি যে
কিওয়ার্ড ব্যবহার করছেন সেই কিওয়ার্ড কি আপনার লক্ষ্য পাঠক অথবা
ব্যবহারকারী সত্যিই খুঁজছে। আপনার বিষয়ের মধ্যে এমন কীবোর্ড অন্তর্ভুক্ত
করতে হবে যা পড়াশোনার জন্য সঠিক এবং প্রাসঙ্গিক, তবে সেটি বেশি কার্যকরী
হবে।
ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করার জন্য সেরা পদ্ধতিগুলি
SEO এর গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হলো ব্যাকলিংক। একটি ওয়েবসাইটে যখন অন্য
কোন ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দেওয়া হয় তখন সেটিকে ব্যাকলিংক বলা হয়। এই
ব্যাক লিংকগুলো সার্চ ইঞ্জিন গুলোর কাছে আপনার ওয়েবসাইটের গ্রহণযোগ্যতা
এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করে। সেজন্য আপনি যদি সঠিক ব্যাকলিংক তৈরি
করতে পারেন আপনার ওয়েবসাইটের জন্য তাহলে রেংকিং বৃদ্ধির পাশাপাশি আপনার
কনটেন্ট দর্শকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। কিছু কার্যকরী কৌশল তুলে
ধরব যেটি অনুসরণ করলে আপনি ব্যাকলিংক খুব সহজে তৈরি করতে পারবেন।
উচ্চমানের কনটেন্ট তৈরি করতে হবে
আপনাকে উচ্চ মানের কনটেন্ট যেটি হতে হবে ইনফরমেটিভ এবং প্রাসঙ্গিক। তখন
স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মধ্যে আপনার কন্টেনটের লিংক শেয়ার করতে ইচ্ছা
হবে। যখন আপনার কনটেন্ট উপকারে এবং গবেষণা ভিত্তিক ও নির্ভরযোগ্য হবে
তখন আপনার কনটেন্টে ব্যাকলিংক পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।
গেস্ট পোস্টিং হিসেবে কাজ করুন
গেস্ট পোস্টিং মানে হল আপনি অন্যর ওয়েবসাইটে ব্লগ অথবা আর্টিকেল লিখে
দেন। এর মাধ্যমে আপনি সহজে ব্যাকলিংক পেতে পারেন। আপনাকে নিশ্চিত করতে
হবে ব্লগে আপনি যে পোস্ট লিখছেন তা অবশ্যই উচ্চমানের হতে হবে পাশাপাশি
আপনার নিচে একটি প্রাসঙ্গিক লিংক যুক্ত করতে হবে।
সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে শেয়ার করুন
আপনি চেষ্টা করবেন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলোতে আপনার কনটেন্ট
শেয়ার করার তাহলে সেটি অনেক মানুষ দেখতে পাবে। যার ফলে তারা সেই
ব্যাকলিংক যোগ করতে পারে। আমার মতে এটি একটি সহজ উপায়।
ডিরেক্টরি সাবমিশন
এটি এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইট নিবন্ধন করতে পারবেন।
এই ভডিরেক্টরিগুলিতে আপনার ওয়েবসাইট সঠিকভাবে নিবন্ধিত হলে আপনি একটি
উচ্চমানের ব্যাকলিংক পেতে পারেন। তবে খুব বেশি ডিরেক্টরি সাবমিশন না
করাই ভালো এতে কিছু ডিরেক্টারি বা লিংক টুলস গুলো গুগল এর কাছে হিসেবে
স্প্যাম চিহ্নিত হতে পারে।
প্রেস রিলিজ এবং মিডিয়া কভারেজ
প্রেস রিলিজ (একটি আনুষ্ঠানিক এবং সংক্ষিপ্ত বিবৃতি যা কোম্পানি,
সংস্থা অথবা ব্যক্তির পক্ষ থেকে মিডিয়ার কাছে পাঠানো হয়) প্রকাশ করার
মাধ্যমে আপনি সহজেই ব্যাক লিংক তৈরি করতে পারেন। বিশেষ কোন
ইভেন্ট অথবা নতুন কোন প্রোডাক্ট সম্পর্কে প্রেস রিলিজ বের করলে এটি
মিডিয়া আউটলেট এবং ব্লগের মাধ্যমে ব্যাকলিংক হিসেবে আপনার সাইটে ফিরতে
পারে।
প্রতিযোগিতা বিশ্লেষণ
আপনাকে আপনার প্রতিযোগীদের ওয়েবসাইটের ব্যাক লিংক বিশ্লেষণ করতে হবে।
যেসব ওয়েবসাইট গুলো তাদের কাছ থেকে ব্যাকলিংক পেয়েছে সেগুলো লক্ষ্য
করে আপনি সেগুলোর সাথে সম্পর্ক তৈরি করতে পারেন এবং এতে করে আপনি তাদের
মত সুবিধা পেতে পারেন।
এসইও শিখতে কতদিন লাগে কার্যকর পরিকল্পনা
SEO শিখতে কতদিন লাগতে পারে এ ধরনের প্রশ্ন বিশেষ করে তাদের যারা নতুন এই
জগতে আসতে চাচ্ছেন। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা SEO কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা
এতক্ষণে বুঝতে পেরেছেন। SEO বা search engine optimization শিখতে কতদিন লাগতে
পারে সেটি বলা কঠিন। যদি আপনি নিয়মিত ধৈর্য এবং পরিশ্রমের সাথে সামনে এগিয়ে
যেতে পারেন তাহলে আনুমানিক সময়সীমা হতে পারে ৩-৬ ছয় মাস।
আমি উপরের দিকে SEO কিভাবে শিখবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত এবং ডিটেইলস আলোচনা
করেছি। সেগুলো আপনাকে প্রতিনিয়ত ফলো করতে হবে এবং একটি ভালো কোর্স করতে হবে।
আপনি শুধু ঠিক মত লেগে থাকতে পারেন তাহলে খুব বেশি দেরি হবে না। এটি সম্পূর্ণ
নির্ভর করবে আপনার উপর আপনি প্রতিদিন কেমন তার প্রতি সময় ব্যয় করছেন।
ভালোভাবে লেগে থাকুন ইনশাল্লাহ সফল হবেন।
এস ই ও এর ভবিষ্যৎ এক নতুন যুগের দিকে
বর্তমানে ডিজিটাল যুগের ব্যবসা এবং মার্কেটিং এর কৌশল গুলো দ্রুত পরিবর্তন
হচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল SEO বা সার্চ ইঞ্জিন
অপটিমাইজেশন। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অথবা SEO ওয়েবসাইটের কনটেন্ট কে
রেংকিং বা ভিজিটর বাড়ানোর উপায় শুধু নয় বরং এটি একটি অনলাইন ব্যবসায়িক
কৌশল। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ভবিষ্যতে SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে কি ধরনের
পরিবর্তন হবে সেটা আমাদের প্রত্যেকের জন্য জানা অত্যন্ত জরুরী।
SEO বা ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর ভবিষ্যৎ চাহিদা
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে যে বিষয়টি বোঝা যায় তা হল আগামী
বছরগুলিতে SEO এর চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাবে। কারণ প্রতিনিয়ত
বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমান মার্কেট গুলোতে
ডিজিটাল মার্কেটিং চাহিদা সম্পন্ন। এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি
গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর
প্রয়োজনীয়তা বাড়বে। যাদের ছোট বড় ব্যবসা রয়েছে সে সমস্ত ওয়েবসাইটের
ট্রাফিক আনার জন্য SEO অথবা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর উপর নির্ভরশীল হতে
হবে।
AI এবং মেশিন লার্নিং
আপনাকে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে SEO শুধু কিওয়ার্ড ভিত্তিক নয়। AI এবং
মেশিন লার্নিং এর ব্যবহারের জন্যও SEO তে বিপ্লব ঘটতে শুরু করেছে। বর্তমানে
যারা সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করছে সার্চ ইঞ্জিন গুলি ব্যবহারকারীদের আরো ভালো
এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা দিচ্ছে। সহজ ভাষায় বললে আপনি কি ধরনের তথ্য পেতে
চাচ্ছেন সেই অনুযায়ী আপনাকে তথ্য বা সঠিক ফলাফল দেখানো হয়। যারা SEO
এক্সপার্ট রয়েছে তারা আরো বুদ্ধিমান উপায়ে কনটেন্ট
তৈরির
পাশাপাশি ওয়েবসাইট এর মান উন্নত করছে, যেন তাদের ওয়েবসাইট অথবা কনটেন্ট
গুগল সার্চ ইঞ্জিনে ভালোভাবে কাজ করতে পারে। এছাড়া বর্তমানে AI এর জন্য আগের
মতো কষ্ট করে কনটেন্ট লিখতে হয় না। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট দ্বারা
সক্রিয়ভাবে কনটেন্ট তৈরি করা যাচ্ছে এবং সঠিক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যা SEO
বা ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর কাজে ব্যবহার হচ্ছে।
মোবাইল ফ্রেন্ডলি এবং ইন্টারনেটের পরিবর্তনশীল ব্যবহার
বর্তমানে স্মার্টফোন ব্যবহার করে না এমন লোকের সংখ্যা খুব কম। ছোট থেকে শুরু
করে বড় পর্যন্ত সবার হাতে এখন স্মার্টফোন। বর্তমানে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর
সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আশা করা যাচ্ছে ভবিষ্যতেও এর পরিমাণ বৃদ্ধি
পাবে। সে জন্য SEO তে মোবাইল ফ্রেন্ডলি ডিজাইন অথবা মোবাইল অপ্টিমাইজড
কনটেন্ট এর গুরুত্ব আরো বেশি বৃদ্ধি পাবে। তাছাড়া গুগল ফার্স্ট ইনডেক্সিংয়ের
দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মোবাইল থেকে সার্চ করা কনটেন্ট গুলোর মান বিবেচনা করে
ওয়েবসাইটে রেংকিং নির্ধারণ করা।
ভয়েস সার্চের উত্থান
বর্তমানে মানুষজন ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট, সিরি বা অ্যালেক্সার এর মাধ্যমে
সার্চ করছে। SEO এর জন্য বর্তমানে এটি একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে কারণ আপনি
যখন কোন কিছু লিখে গুগলে সার্চ করেন তখন টাইপ করেন best restaurants in Dhaka
কিন্তু আপনি যখন ভয়েস ব্যবহার করেন তখন হয়তো বলতে পারেন ঢাকায় ভালো
রেস্টুরেন্ট কোথায়। SEO অথবা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বিশ্লেষকদের জন্য এই
নতুন কৌশল বুঝতে হবে এবং ভয়েস ছাড়ছে উপযুক্ত কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে
হবে।
লোকাল SEO এবং ইউজার এক্সপিরিয়েন্স
বর্তমানে আপনি যদি চোখ কান খোলা রাখেন তাহলে লোকাল SEO অথবা সার্চ ইঞ্জিন
অপটিমাইজেশন গুরুত্বপূর্ণ টপিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাদের ছোট ব্যবসা অথবা
প্রতিষ্ঠান রয়েছে তারা এখন চায় তাদের ওয়েবসাইটগুলোকে স্থানীয় সার্চে
বিশেষভাবে প্রাধান্য দেওয়া হোক সেজন্য তারা অপটিমাইজ করছে। এছাড়া গুগল মাই
বিজনেস ও লোকাল রিভিউগুলো স্থানীয় SEO বাস সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
রেংকিংয়ে গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সার্চ ইঞ্জিনের উন্নত প্রযুক্তি
বর্তমানে গুগল ছাড়া অন্যান্য যে সমস্ত সার্চ ইঞ্জিন গুলো রয়েছে তারা এখন
ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং এবং আরো উন্নত টেকনোলজি ব্যবহার করছে। এটি
ব্যবহারের কারণে সার্চ ইঞ্জিন আরো বিশ্বস্ত ফলাফল মানুষদের প্রদান করছে এবং
SEO কৌশল গুলোকে নতুনভাবে তৈরি করছে।
তথ্যসূত্রঃ
-
The Future of SEO: How AI Is Already Changing Search Engine...
ResearchFDI
- Will SEO exist in 10 years? Antlerzz
- SEO: The Future Outlook LinkedIn Pulse
Seo করে কত টাকা আয় করা যায় আসুন জানি
তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা যেমন বেড়েছে
তেমনি ভাবে ওয়েবসাইট অপটিমাইজেশন এর গুরুত্বও বেড়েছে। সেজন্য SEO বা সার্চ
ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শুধুমাত্র দক্ষতা নয় বরং এটি আপনার জন্য লাভজনক ক্যারিয়ার
হতে পারে। SEO করে আপনি কত টাকা আয় করতে পারবেন সেটি নির্ভর করবে বিভিন্ন
ফ্যাক্টরের উপর যেমনঃ অভিজ্ঞতা, কাজের ধরন এবং ক্লায়েন্টের প্রয়োজনীয়তার
উপর। তাহলে চলুন, SEO এর মাধ্যমে আপনার কেমন আয় হতে পারে সে সম্পর্কে
বিস্তারিত জানা যায়।
SEO বিশেষজ্ঞদের মাসিক অথবা বার্ষিক ইনকাম
SEO বিশেষজ্ঞদের ইনকাম নির্ভর করবে বিভিন্ন স্তরের উপর। মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রের একজন SEO বিশেষজ্ঞদের বার্ষিক আয় সাধারণত ৪৫০০০-৭৫০০০ ডলার
পর্যন্ত হতে পারে। অপরদিকে যারা SEO ডিরেক্টর অথবা লিডার রয়েছে তাদের বেতন
বছরে ৮০০০০ ডলার বা তার বেশি হতে পারে।
ফ্রিল্যান্সিং SEO তে কেমন আয় হয়
Upwork, Fiverr, Freelancer, এবং PeoplePerHour ইত্যাদি সাইট গুলোতে SEO
বিশেষজ্ঞরা তাদের সেবা প্রদান করার মাধ্যমে প্রতিদিন আয় করছেন। একজন SEO
বিশেষজ্ঞ প্রতিমাসে গড়ে ৫০০-৫০০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন। এটি নির্ভর
করবে সাধারণত তার কাজের ধরন, ক্লায়েন্টের চাহিদা এবং পরিমাণের ওপর। এছাড়া
যারা SEO বিশেষজ্ঞ রয়েছেন তারা প্রতি মাসে ৩০০০-১০০০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে
পারেন।
তথ্যসূত্রঃ Fiverr, Upwork
SEO ব্লগ অথবা ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম
আপনার যদি একটি ব্লগ অথবা ওয়েবসাইট থাকে তাহলে SEO এর মাধ্যমে সেখান থেকে
আপনি আয় করতে পারবেন। সেজন্য আপনাকে ভাল কনটেন্ট তৈরি করতে হবে এবং সঠিকভাবে
SEO কৌশল ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া আপনি গুগল অ্যাডসেন্স অথবা এফিলিয়েট
মার্কিনিটি এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট অথবা ব্লক থেকে ইনকাম করতে পারবেন।
SEO যদি সঠিকভাবে আপনার ওয়েবসাইটে এপ্লাই করতে পারেন তাহলে ট্রাফিক বৃদ্ধির
পাশাপাশি বিজ্ঞাপন এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম থেকে আয় করা সম্ভব।
সোর্সঃ Google AdSense
আপনি যদি SEO দক্ষ হন তাহলে, SEO বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করতে পারেন। অনেক বড়
কোম্পানি রয়েছে যারা তাদের সাইটের SEO আপডেট করার জন্য বিশেষজ্ঞদের খুঁজে
থাকে। এক্ষেত্রে আপনি প্রতি প্রজেক্ট এর জন্য ১০০০-১০০০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে
পারবেন। কাজটি করার মাধ্যমে আপনি একাধিক ক্লায়েন্টের সঙ্গে পরিচিত হবেন এবং
আমার মতে এটি একটি লাভজনক ক্যারিয়ার হতে পারে।
এই কাজটির জন্য আপনাকে অবশ্যই একজন SEO বিশেষজ্ঞ হতে হবে। বর্তমানে SEO শেখার
জন্য অনেক প্ল্যাটফর্মে কোর্স তৈরি করা যায় যেমনঃ Udemy, Skillshare,
Teachable ইত্যাদি প্ল্যাটফর্মগুলোতে SEO কোর্স শুরু করে আপনি আয় করতে পারবেন।
এছাড়া আপনি কোর্স বিক্রি করার মাধ্যমে প্রতিদিন অথবা মাসে ভালো পরিমাণ অর্থ
আয় করতে পারবেন।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কিভাবে শিখব? আশা করি এই সম্পর্কে আপনি মোটামুটি
ধারণা পেয়েছেন। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অথবা SEO শেখার জন্য
আমার মতে, একটি কোর্স করুন যার মাধ্যমে আপনি পরিপূর্ণ একটি গাইডলাইন
পাবেন। সেই সাথে আপনাকে ধৈর্য, পরিশ্রম এবং পজেটিভ চিন্তাভাবনা নিয়ে সামনে
এগিয়ে যেতে হবে। SEO এর ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার আগামী বছরগুলোতে অনেক
সুন্দর হতে যাচ্ছে। তাই আমার মতে এটি ক্যারিয়ার হিসেবে একটি ভালো
সিদ্ধান্ত।
সব বাজ ব্লগিং ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url