বাংলাদেশ থেকে কম খরচে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়
বাংলাদেশ থেকে কম খরচে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়, এটি জানলে আপনি খুব সহজেই কম
খরচে ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে পারবেন। এমন কিছু দেশ রয়েছে যেখানে বিমান ভাড়া এবং
জীবন যাত্রার খরচ অনেক কম, আমি আশা রাখি তা আপনার বাজেটের মধ্যে পড়বে।
সাধারণত এই দেশগুলোতে ভিসা প্রক্রিয়ার সহজ এবং খরচও অনেক কম যা আপনার জন্য আদর্শ হতে পারে। এছাড়া আজকের আর্টিকেলে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে থাকছে সরকারিভাবে বিদেশ যাওয়ার উপায় এবং কম খরচে ইউরোপের কোন দেশে যাওয়া যায় ইত্যাদি বিষয়। গুরুত্বপূর্ণ এবং বিস্তারিত তথ্য জানতে আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
পোস্ট সূচীপত্রঃ বাংলাদেশ থেকে কম খরচে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়
- বাংলাদেশ থেকে কম খরচে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়
- বাংলাদেশ থেকে কম খরচে ইউরোপের কোন কোন দেশে যাওয়া যায়
- সরকারি ভাবে বিদেশ যাওয়ার উপায় সহজ ও কার্যকর পদ্ধতি
- বিদেশ যাওয়ার সরকারি এজেন্সি দরকারি পদক্ষেপ এবং পদ্ধতি
- বিদেশ যাওয়ার নিয়ম কিভাবে সফলভাবে আবেদন করবেন
- বিদেশ যাওয়ার জন্য কি কি প্রয়োজন যাত্রা শুরু করার সেরা উপায়
- বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ দরকারি পদক্ষেপ এবং পদ্ধতি
- ব্যক্তিগত মতামতঃ বাংলাদেশ থেকে কম খরচে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়
বাংলাদেশ থেকে কম খরচে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়
প্রতিবেশী দেশ ভারত
আপনার কেন যাওয়া উচিত
- কলকাতার সংস্কৃতি, তাজমহল, রাজস্থান, দার্জিলিং, গ্যাংটক, সিকিম, শিমলা, মানালি, কুল্লু ও কাশ্মীরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনি উপভোগ করতে পারবেন।
- কাশ্মীরকে বলা হয় পৃথিবীতে এক টুকরো স্বর্গ। এই স্থানে গেলে আপনার মন এবং চোখ শীতল হয়ে যাবে এবং খুব সুন্দর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন।
- এছাড়া এখানকার খাবার এবং হোটেল খরচও অনেক কম।
নেপাল কেমন হতে পারে
সেখানে আপনার কেন যাওয়া উচিত
- কাঠমান্ডু ও পোখারার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনি উপভোগ করতে পারবেন
- এছাড়া পাহাড়ি পরিবেশ, এভারেস্ট বেস ক্যাম্পের অভিজ্ঞতা আপনাকে আকর্ষণ করবে
- তাছাড়া আপনি ঢাকা থেকে সরাসরি বিমান অথবা ভারতের বাসে যেতে পারবেন।
- এখানে থাকা, খাওয়ার এবং পর্যটকদের জন্য খরচ তুলনামূলকভাবে কম
সুখী মানুষের দেশ ভুটান
সেখানে কেন যাওয়া উচিত
- পারো ও থিম্পুর পাহাড়ি সৌন্দর্য ইত্যাদি আরো ঐতিহাসিক বিষয়গুলো দেখতে পাবেন।
- তাছাড়া ভুটান পৃথিবীতে একমাত্র দেশ যেখানে GNH (Gross National Happiness) বা মোট জাতীয় সুখ পরিমাপ করা হয়।
ভারত মহাসাগরের মুক্তা শ্রীলংকা
শ্রীলঙ্কায় আপনি কেন যাবেন
- রাজধানী কলম্বো, ঐতিহাসিক ক্যান্ডি শহর, গল ও সমুদ্রসৈকত আপনাকে মুগ্ধ করবে।
- এছাড়া চারিদিকে সমুদ্র দিয়ে ঘেরা এবং দ্বীপ দেশের ট্রপিক্যাল আবহাওয়া (গরম ও আর্দ্র) রয়েছে।
- তাছাড়া এখানে রয়েছে সাশ্রয়ী হোটেল এবং সাগর তীরের মনোরম দৃশ্য যা আপনাকে আকর্ষণ করবে।
কম খরচে থাইল্যান্ড কেমন হতে পারে
থাইল্যান্ডে আপনি কেন যাবেন
- থাইল্যান্ডের বিমান ভাড়া এবং হোটেল খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
- এছাড়া ব্যাংকক, ফুকেট, পাতায়া ও চিয়াং মাই পর্যটকদের কাছে অন্যতম একটি পছন্দের গন্তব্য।
- সুন্দর দ্বীপ, সৈকতসহ নজরকাড়া সব রিসোর্ট আপনাকে মুগ্ধ করবে।
- তাছাড়া খাবার এবং কেনাকাটা ও বিনোদনের জন্য আমার মতে থাইল্যান্ড সেরা একটি দেশ।
মালয়েশিয়া আধুনিকতার শহর
আপনি সেখানে কেন যাবেন
- উন্নত অবকাঠামো এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করে তুলবে।
- কুয়ালালামপুরে পেট্রোনাস টাওয়ার, বাটু গুহা এবং লাংকাউই দ্বীপের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখি আপনি হতবাক হয়ে যাবেন।
ভিয়েতনাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং প্রাচীন সংস্কৃতি
আপনার সেখানে কেন যাওয়া উচিত
- ভিয়েতনামের চা সংস্কৃতি অনেক সমৃদ্ধ।
- এছাড়া সেখানে হা লং বে, হোই আন প্রাচীন শহর, ও হানয়ের ঐতিহাসিক স্থাপত্য সহ আরো অনেক আকর্ষণীয় এবং দর্শনীয় স্থান রয়েছে যা আপনাকে নতুন অভিজ্ঞতা শিখতে সাহায্য করবে।
কম খরচে ইন্দোনেশিয়া কেমন
আপনার সেখানে কেন যাওয়া উচিত
- প্রথমেই বললাম এটি বালি দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য হিসেবে পরিচিত।
- এছাড়া এখানে সাগরের তীরে রিসোর্ট এবং সংস্কৃতির জন্য এটি অনেক জনপ্রিয়।
- উবুদের ধান ক্ষেত, এবং কুতা সমুদ্র সৈকত আপনাকে আকর্ষণ করবে।
এশিয়ার সবচেয়ে আধুনিক শহর সিঙ্গাপুর
আপনি সেখানে কেন যাবেন
- মারিনা বে, সেন্তোসা দ্বীপ ও ইউনিভার্সাল স্টুডিওস ইত্যাদি বিষয়বস্তু একজন পর্যটক হিসেবে আপনাকে আকর্ষণ করবে।
- এছাড়া সিঙ্গাপুর পৃথিবীর সবচেয়ে পরিছন্ন এবং সুশৃঙ্খল একটি শহর।
- প্রযুক্তি এবং প্রকৃতির অপূর্ব সংগৃহীত শুনে গার্ডেন বাই দ্য বে একটি অসাধারণ দর্শনীয় স্থান, যা আপনাকে নতুন অভিজ্ঞতা শিখতে সাহায্য করবে।
বাংলাদেশ থেকে কম খরচে ইউরোপের কোন কোন দেশে যাওয়া যায়
কম খরচে কোথায় ঘুরতে যাওয়া যায় সে সম্পর্কে আমরা অনেক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। ইউরোপ মহাদেশের কথা যদি বলি তাহলে সেটি সমৃদ্ধ ইতিহাস, মনোমুগ্ধকর স্থাপত্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা। একজন বাংলাদেশী হিসেবে আপনার কাছে ইউরোপ ভ্রমণ হতে পারে একটি স্বপ্নের মতো। আপনার পকেটে যদি লাখখানেক টাকা থাকে তাহলে ইউরোপের বেশ কিছু দেশে যাওয়া সম্ভব। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কম খরচে ইউরোপের কোন দেশে যাওয়া যায় এবং এই দেশগুলো আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা সেটা দেখে নিন।
ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী খরচ
ভিসা ধরন অনুযায়ী খরচ
কম খরচে ইউরোপের কোন দেশে যাওয়া যায়
এখানে ঐতিহাসিক স্থান যেমনঃ আউশভিৎস, ক্র্যাকো শহর, ওয়ারসর পুরাতন শহর ইত্যাদি রয়েছে। এছাড়া যারা বাংলাদেশী ভাইয়েরা রয়েছেন তাদের জন্য সেখানে বিভিন্ন কাজের সুযোগ রয়েছে। অপরদিকে শিক্ষাগতমান উচ্চমান এবং তুলনামূলকভাবে কম টিউশন ফি হয়ে থাকে যা শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুযোগ।
দ্বিতীয় হচ্ছে হাঙ্গেরি
তৃতীয় হলো বুলগেরিয়া
চতুর্থ রোমানিয়া
পঞ্চম হচ্ছে স্লোভাকিয়া
ইউরোপ যেতে কি কি লাগে
আপনি যদি স্টুডেন্ট ভিসা চান সেক্ষেত্রে
- ইউরোপীয় কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অফার লেটার থাকতে হবে
- আর্থিক সঙ্গতি প্রমাণের কাগজপত্র
- ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং সম্পত্তির দলিল
আপনি যদি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চান
- বৈধ কাজের অফার লেটার থাকতে হবে
- সরকারি এবং বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়া সম্ভব
- প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং আপনি বোয়েসেল, বিএমইটি'র মাধ্যমে সরকারিভাবে যাওয়ার সুযোগ পাবেন
আপনি যদি টুরিস্ট ভিসা পেতে চান সেক্ষেত্রে
- ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ডকুমেন্ট প্রস্তুত থাকতে হবে
- আর্থিক সংগতি প্রমাণ করতে হবে
- হোটেল অথবা থাকার জায়গার বুকিং
- ফেরার ফ্লাইট টিকিট বুকিং
- ট্রাভেল ইন্সুরেন্স থাকতে হবে
ইউরোপে দৈনিক খরচের হিসাব দেখুন
- হোস্টেল অথবা বাজেট হোটেলে ৮০০-৯০০ টাকা লাগতে পারে
- দৈনিক ৬০০ টাকা খাবারের পিছনে ব্যয় হতে পারে যেগুলো সাধারণ খাবার রয়েছে
- একটি দেশ ভরে দেখার খরচ আনুমানিক ২৫,০০০-৩০,০০০ হাজার টাকা লাগতে পারে
সরকারি ভাবে বিদেশ যাওয়ার উপায় সহজ ও কার্যকর পদ্ধতি
সবার প্রথমে প্রাথমিক প্রস্তুতি
বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য তথ্য ও পরামর্শ প্রদান
বিদেশে যাওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা
বিদেশ যাওয়ার সরকারি এজেন্সি দরকারি পদক্ষেপ এবং পদ্ধতি
- আপনার ট্রেড লাইসেন্সের সঠিক এবং বৈধ অনুলিপি লাগবে
- ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর সহ আয়কর রিটার্নের বৈধ এবং সঠিক অনুলিপি থাকতে হবে
- আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রমাণস্বরূপ বিগত বছরের ব্যাংক হিসাব বিবরণী লাগবে
- এছাড়া আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট অথবা প্রত্যয়ন পত্র প্রয়োজন
- অঙ্গীকারনামা ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে
- আবেদন পাওয়ার পর মহাপরিচালক আপনার তথ্য বলি এবং কাগজপত্র যাচাই করে সরকারের কাছে আপনার জন্য সুপারিশ করবেন
- সরকার ৩ মাসের মধ্যে আবেদন মঞ্জুর অথবা নাম মঞ্জুর করেন
রিক্রুটিং এজেন্টের দায়িত্ব এবং আচরণ
- আইন-পালন
- অফিস রক্ষণাবেক্ষণ
- তথ্য ও পরামর্শ প্রদান
- কর্মীদের প্রশিক্ষণ
- তদন্তে সহযোগিতা করা
- ডাটাবেজ সংরক্ষণ করা
সাব এজেন্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া
- রিক্রুটিং এজেন্সি তাদের কার্যক্রম বাড়ানোর জন্য সাব এজেন্ট নিয়োগ করতে পারে
- রিক্রুটিং এজেন্টদেরকে তাদের মহাপরিচালকের অনুমোদন নিয়ে দেশ অথবা বিদেশে প্রতিনিধি নিয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়
- যদি কোন ব্যক্তি বিদেশে প্রতিনিধি হতে চান তবে তাকে সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশন থেকে প্রত্যানপত্র নিতে হবে। যদি সেই দেশে বাংলাদেশের মিশন না থাকে তাহলে অন্য কোন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশন থেকে প্রত্যয়ন পত্র নিতে হবে
- সাব এজেন্টের মাধ্যমে অভিবাসন সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রমের জন্য রিক্রুটিং এজেন্ট এবং নিয়মকৃত প্রতিনিধি উভয় দায়ী থাকবেন
অবৈধ কার্যকলাপ প্রতিরোধ
তথ্যসূত্রঃ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
বিদেশ যাওয়ার নিয়ম কিভাবে সফলভাবে আবেদন করবেন
বিদেশে যাওয়ার নিয়ম
- সবার প্রথমে আপনি সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে যোগাযোগ করুন। যেমনঃ probashi.gov.bd এবং bmet.gov.bd। এখানে আপনি নিয়মিত চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেখতে পাবেন।
- বৈধ এজেন্সি বাছাই করুন। সরকার যাদেরকে অনুমোদিত করেছে সে সমস্ত রিক্রুটিং এজেন্সি আপনাকে বেছে নিতে হবে।
- নিবন্ধন এবং প্রশিক্ষণ। আপনাকে আপনার জেলা কর্মসংস্থান অফিসে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে।
- প্রাক প্রশিক্ষণ ভাষা যেমন ইংরেজি অথবা আরবি কাজের দক্ষতা এবং সংস্কৃতি অভিযোজন সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক
- আপনাকে ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। যেমন পাসপোর্ট, ভিসা, স্বাস্থ্য সার্টিফিকেট।
বিদেশ যাওয়ার জন্য কি কি প্রয়োজন যাত্রা শুরু করার সেরা উপায়
- আপনার ব্যক্তিগত ডকুমেন্ট যেমন বৈধ পাসপোর্ট অন্তত ছয় মাস মেয়াদ।
- জাতীয় পরিচয় পত্র ও জন্ম নিবন্ধন এর সনদ।
- শিক্ষাগত সনদ যেমনঃ এসএসসি/এইচএসসি/ডিগ্রী অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী অনুবাদ ও অ্যাটেস্টেড ( কাগজপত্র অথবা ডকুমেন্টের সত্যতা ও বৈধতা )
- চাকরির সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যেমনঃ ভিসা/ওয়ার্ক পারমিটঃ এটি আপনি গন্তব্য দেশে দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করুন।
- নিয়োগ পত্র ও চুক্তির কপি।
- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট। এটি জেলা পুলিশ সুপার এর অফিস থেকে সংগ্রহ করুন।
- মেডিকেল রিপোর্ট/সরকারি হাসপাতাল থেকে ফিটনেস সার্টিফিকেট গ্রহণ করুন।
- ব্যাংক সলভেন্সি ( মানে হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির আর্থিক স্তিতিশীলতা বা সামর্থ্য ) সার্টিফিকেট
- বীমা পলেসি/ কিছু দেশে হয়তো বাধ্যতামূলক হতে পারে
- পরিবারের অনাপত্তি পত্র/ মহিলা আবেদনকারীদের জন্য।
- অভিজ্ঞতা সার্টিফিকেট/ আপনার পূর্বের চাকরির প্রমাণপত্র।
বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ দরকারি পদক্ষেপ এবং পদ্ধতি
বিদেশে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ
ধাপ | বিষয় | বিস্তারিত বিবরণ |
---|---|---|
১ | ভাষা ও যোগাযোগ প্রশিক্ষণ |
- কোরিয়ান ভাষা (EPS-টপিক পরীক্ষা) - জাপানি ভাষা (JLPT পরীক্ষার প্রস্তুতি) - আরবি ভাষা (সৌদি আরবের জন্য মৌলিক প্রশিক্ষণ) |
২ | কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন |
- ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স (ওয়েল্ডিং, প্লাম্বিং,
এয়ারকন্ডিশনিং) - হাউসকিপিং (৩০ দিনের প্রশিক্ষণ) - কৃষি ও লাইভস্টক (মালয়েশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের জন্য প্রশিক্ষণ) |
৩ | সাংস্কৃতিক অভিযোজন |
- গন্তব্য দেশের রীতিনীতি, আইন-কানুন ও নিরাপত্তা নিয়ে ওরিয়েন্টেশন
সেশন - জাপানে কর্মঘণ্টা ও ছুটির নিয়ম - সৌদি আরবে শ্রম অধিকার সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়া |
সরকারি প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম
প্রোগ্রাম | বিস্তারিত বিবরণ |
---|---|
EPS প্রোগ্রাম (দক্ষিণ কোরিয়া) |
- ৬ মাসের সমন্বিত প্রশিক্ষণ - প্রথম ৩ মাস: কোরিয়ান ভাষা ও সংস্কৃতি - পরবর্তী ৩ মাস: ফ্যাক্টরি-ভিত্তিক কারিগরি প্রশিক্ষণ - সফলদের কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ |
টেকনিক্যাল ইন্টার্নশিপ (জাপান) |
- JLPT N4 লেভেলের জাপানি ভাষার দক্ষতা প্রয়োজন - ৪৫০ ঘণ্টার কারিগরি প্রশিক্ষণ (ইলেকট্রিক্যাল বা মেকানিক্যাল ট্রেডে) |
বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি এবং প্রশিক্ষণের ধাপসমূহ
ধাপ | বিষয় | বিস্তারিত বিবরণ |
---|---|---|
১ | নিবন্ধন |
- জেলা জনশক্তি অফিস (ডেমো) বা বিএমইটি ট্রেনিং সেন্টারে নিবন্ধন
করুন - প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিন: পাসপোর্টের ফটোকপি, ভিসা/ওয়ার্ক পারমিট, অঙ্গীকারনামা |
২ | প্রশিক্ষণ সময়সূচি |
- সাধারণ কর্মী: ৩ দিনের কোর্স (দৈনিক ৬ ঘণ্টা) - গৃহকর্মী: ৩০ দিনের রেসিডেনশিয়াল প্রশিক্ষণ |
৩ | মূল্যায়ন |
- লিখিত পরীক্ষা এবং ব্যবহারিক মূল্যায়ন - উত্তীর্ণদের প্রশিক্ষণ সনদ দেওয়া হয়, যা এমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবশ্যক |
প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্বাচনের সর্তকতা
বিষয় | বিস্তারিত বিবরণ |
---|---|
লাইসেন্স যাচাই | - বিএমইটি-এর ওয়েবসাইট থেকে প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন স্ট্যাটাস চেক করুন |
ফি কাঠামো |
- সরকারি কোর্সের ফি সাধারণত ২,০০০-৫,০০০ টাকার মধ্যে থাকে - অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে ১৬১৩৫ হেল্পলাইনে রিপোর্ট করুন |
ব্যাচের আকার | - ছোট ব্যাচে (৩০-৪০ জন) প্রশিক্ষণ নেওয়া উত্তম, যাতে ব্যক্তিগত মনোযোগ পাওয়া যায় |
সব বাজ ব্লগিং ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url